• ২০২৩ ফেব্রুয়ারী ০৪, শনিবার, ১৪২৯ মাঘ ২২
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৯ অপরাহ্ন
  • বেটা ভার্সন
Logo
  • ২০২৩ ফেব্রুয়ারী ০৪, শনিবার, ১৪২৯ মাঘ ২২

ফুটবল কিংবদন্তী পেলে আর নেই

  • প্রকাশিত ১:১৮ পূর্বাহ্ন শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২২
ফুটবল কিংবদন্তী পেলে আর নেই
সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে মারা গেছেন। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ অসুস্থতার পর বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। ব্রাজিলের সাও পাওলোর একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। 

ফুটবল বিশ্বকাপের সময় যখন পেলে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তখন তার আরোগ্য কামনা করতে থাকেন ফুটবল তারকা, সমর্থকরা। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে ব্রাজিল সমর্থকদের আনা ফুটবল সম্রাটের একটি ব্যানার তখন সংবাদমাধ্যমগুলোর নজর কাড়ে।

ওই ব্যানারে দেখা গিয়েছিল, গালের পাশে ফুটবল ধরে আছেন পেলে। মুখে পরিশ্রান্তির হাসি। ব্যানারের ঠিক সামনে বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা ধরেছিলেন এক ব্রাজিলিয়ান।

কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে ফুটবল বিশ্বকাপ জিতেছিলেন পেলে। ১৯৫৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ফুটবল সম্রাট। সুইডেনকে ফাইনালে ৫-২ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল। দুটি গোল করেছিলেন পেলে। সেই সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ২৪৯ দিন।

তিন বার বিশ্বকাপ জিতেছিলেন তিনি। ১৯৫৮, ১৯৬২ এবং ১৯৭০ সালে। বিশ্বের আর কোনও খেলোয়াড়ের এমন রেকর্ড নেই। ১৯৫৮ সাল এবং ১৯৭০ সালের ফাইনালে গোলও করেছিলেন পেলে।

রেক.স্পোর্টস.সকার স্ট্যাটিস্টিক ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের জার্সিতে মোট ৯২টি ম্যাচে ৭৭টি গোল করেছিলেন পেলে। ফ্রেন্ডলিতে ৩৪টি, বিশ্বকাপের যোগ্যতা-অর্জন পর্বে ছয়টি, বিশ্বকাপে ১২টি, কোপা আমেরিকায় আটটি এবং অন্যান্য টুর্নামেন্টে ১৭টি গোল করেছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার রেকর্ডও তার। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন। সেই সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ২৩৯ দিন। ওই গোলের সুবাদেই ম্যাচ জিতেছিল ব্রাজিল।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিকেরও নজির গড়েছিলেন পেলে। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ‘ব্ল্যাক পার্ল’। সেই সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ২৪৪ দিন।

১৯৭৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মোহনবাগানের একটি প্রদর্শনী খেলেছিলেন ফুটবলের সম্রাট। নিজের পেশাদার ক্যারিয়ারের একেবারে শেষলগ্নে কসমস ক্লাবের এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে কলকাতায় গিয়েছিলেন। তিন বার বিশ্বকাপজয়ীকে দেখতে লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে কলকাতা। বিমানবন্দর, হোটেল থেকে শুরু করে ইডেন গার্ডেন্স সর্বত্রই মানুষের ভিড় ছিল লক্ষ্যণীয়। এরপরও একাধিক বার ভারতে গিয়েছিলেন তিনি।

পেলের জন্ম ১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর। বাবার দেওয়া নাম এডসন আরান্তেস দি নাসিমেন্তো হলেও পেলে নামেই তিনি পরিচিতি পান। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট।


সর্বশেষ