• ২০২২ অগাস্ট ১৪, রবিবার, ১৪২৯ শ্রাবণ ৩০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১:০৯ অপরাহ্ন
  • বেটা ভার্সন
Logo
  • ২০২২ অগাস্ট ১৪, রবিবার, ১৪২৯ শ্রাবণ ৩০

হামারগুলাক একনা দ্যাখপারও আসিল না হামার এমপি

  • প্রকাশিত ১০:৪১ পূর্বাহ্ন শনিবার, Jul ০২, ২০২২
হামারগুলাক একনা দ্যাখপারও আসিল না হামার এমপি
ছবি- বেনিউজ২৪.কম
রংপুর ব্যুরো

রংপুরের কাউনিয়ার টেপামধুপুর ইউনিয়নে তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে ৩ গ্রামের প্রায় অর্থ শতাধিক বাড়ি ভিটাসহ প্রায় ২০০ হেক্টর ফসলী জমি ইতো মধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গন রোধে সরকারী ভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় আতংকে দিন কাটাচ্ছে নদী তীরবর্তী মানুষেরা। স্থানীয় এমপির এ বিষয়ে নেই কোন দৃষ্টি, ফলে নদী ভাঙ্গনের শিকার মানুষ গুলোর বোবা কান্না।

সরেজমিনে উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের চরগনাই, বিশ্বনাথ, হয়বতখাঁ গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়ি ও ২০০ হেক্টর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। টেপামধুপুর ইউনিয়নের চরগনাই গ্রামে ইতিমধ্যে আয়শা খাতুন, ছলিম উদ্দিন, সিরাজুল, নুরবানু বেগম, জয়নাল, হাসেন আলী, আঃ হাকিম, জিয়ারুল, সাইফুল, রফিকুল, নাদের, ছলিম উদ্দিন, বুলবুলি, মাহাবুব, আঃ হক, আলতাব, কবির, আনোয়ারুল সহ প্রায় অর্ধশত বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়েগেছে। গত বছর বালাপাড়া ও টেপামধুপুর ইউনিয়নের ৬গ্রামে আরও শতাধিক বাড়ী গিলে খেয়েছে তিস্তা নদী। 

টেপামধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম জানান, তার এলাকায় অর্ধ শতাধিক বাড়ি-ঘর ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েগেছে। তালিকা উপজেলা পরিষদে জমা দিয়েছি। 


নদী ভাঙ্গনের শিকার আয়শা খাতুন জানান, নদী হামার সগ গিলি খাইলে, হামারগুলাক একনা দ্যাখপারও আসিল না হামার এমপি। হামারগুলার কান্না কায় শুনে ব্যাহে। 

দুদু মিয়া জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রায় ৫লাখ টাকা দিয়েছেন, সেই টাকা দিয়ে বাঁশ দিয়ে কোন মতে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চলছে। 

নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা জানান, নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় প্রায় ১১টি গ্রাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, ঈদগাঁও মাঠ হুমকির মধ্যে রয়েছে। নদী ভাঙ্গন রোধে এলাকার মানুষ তিস্তা সড়ক সেতু থেকে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত গার্ড ব্যাঙ্ক নির্মাণের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুন্শি এমপি কে বহুবার আবেদন-নিবেদন ও মানববন্ধন করেও কোন কাজ হয়নি। 

নির্বাহী অফিসার তাহমিনা তারিন জানান, তিনি নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে চেয়ারম্যান সাহেবদের তালিকা তৈরি করে জমা দিতে বলেছেন। এই তালিকা জেলায় পাঠান হবে। এছাড়াও নদী ভাঙ্গনে স্থায়ী সমাধানের জন্য মাননীয় মন্ত্রীর সাথে কথা বলে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানান।

সর্বশেষ