• ২০২২ মে ২২, রবিবার, ১৪২৯ জ্যৈষ্ঠ ৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
  • বেটা ভার্সন
Logo
  • ২০২২ মে ২২, রবিবার, ১৪২৯ জ্যৈষ্ঠ ৮

কুসিক নির্বাচনে আ.লীগের নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত

  • প্রকাশিত ৭:৫০ অপরাহ্ন শুক্রবার, মে ১৩, ২০২২
কুসিক নির্বাচনে আ.লীগের নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত
ছবি- সংগ্ৰহিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের একমাত্র সিটি করপোরেশন, যেটিতে নির্বাচনে লড়ে কখনও জয় পায়নি আওয়ামী লীগ। অধরা সেই করপোরেশনের দখল নিতে দ্বিতীয়বারের মতো নতুন প্রার্থী বেছে নিল ক্ষমতাসীন দল।

কুমিল্লায় এবার মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতকে। শুক্রবার বিকেলে গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠক শেষে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আরফানুল হক রিফাতকে ‘যোগ্য’ হিসেবে মনে করে তার হাতে নৌকা তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। দলীয় সভাপতির সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আমীর হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরুল্লাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, রাশিদুল হাসান, আব্দুর রাজ্জাক, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, কর্নেল (অব.) ফারুক খান ও আবদুস সোবাহান গোলাপ অংশ নেন।

আগামী ১৫ জুন কুমিল্লায় ভোট হতে যাচ্ছে। এই এলাকাটি আওয়ামী লীগকে ভালো কিছু দিতে পারছে না। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সদর আসনে বড় ব্যবধানে জিতলেও ২০১২ সালে শহরের ভোটে বড় ব্যবধানে হেরে যায় ক্ষমতাসীন দল।

দলীয় প্রতীক ছাড়া সেই নির্বাচনে বিএনপির সমর্থনে বিএনপির কাজী মনিরুল হক সাক্কু হারান আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আফজল খানকে। ভোটের ব্যবধান ছিল ৩৫ হাজারের বেশি।

পাঁচ বছর পর দলীয় প্রতীকের প্রথম ভোটে আফজলের মেয়ে আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে নৌকা দেয় আওয়ামী লীগ। তিনি ভোটের ব্যবধান কমিয়ে ১১ হাজারে নামান। সাক্কু টানা দ্বিতীয় জয়ে কুমিল্লা নিজেরই করে রাখেন। এর আগে ২০০৫ সালের পৌরসভার শেষ নির্বাচনেও সাক্কুই জয় পেয়েছিলেন।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনটি নির্বাচনে সদর আসনে নৌকা জয় পেয়ে আসলেও শহরের ভোটে সুবিধা করতে না পারা নিয়ে আলোচনার মধ্যে রিফাত কতটা কী করতে পারবেন, এ নিয়ে আলোচনা এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন মোট ১৪ জন, যাদের মধ্যে ছিলেন গতবারের পরাজিত প্রার্থী সীমাও। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য। সিটি করপোরেশনে ভোট করতে তিনি এই পদ ছাড়তে প্রস্তুত ছিলেন। মনোনয়ন পাওয়া রিফাত কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

গতবারের প্রার্থী সীমার বাবা আফজল খান ছিলেন বাহারবিরোধী নেতা। একই দল করলেও এই দুই জনের সাপেনেউলে সম্পর্ক কুমিল্লা সদর আসন ও শহরের ভোটে বারবার ভুগিয়েছে আওয়ামী লীগকে।

৯০ দশক থেকেই দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ বাহারকে বেছে নিলে আফজল স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। আবার আফজলকে বেছে নিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বাহার।

সর্বশেষ