• ২০২২ মে ২২, রবিবার, ১৪২৯ জ্যৈষ্ঠ ৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ৯:৫২ পূর্বাহ্ন
  • বেটা ভার্সন
Logo
  • ২০২২ মে ২২, রবিবার, ১৪২৯ জ্যৈষ্ঠ ৮

যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, উৎসুক জনতার ভিড়

  • প্রকাশিত ১১:৫৩ অপরাহ্ন শনিবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২২
যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, উৎসুক জনতার ভিড়
ছবি-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনার ঈশ্বরদীতে যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে ব্যতিক্রমী এ বিয়েতে অতিথি ছাড়াও শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করেন। 

যমজ বোন সাদিয়া ও নাদিয়া ঈশ্বরদী শহরের দরিনারিচা এলাকার কুদ্দুস খানের কন্যা। আর যমজ ভাই সেলিম মাহমুদ ও সুলতান মাহমুদ নওগাঁর মহাদেবপুরের সেকেন্দার আলী মণ্ডলের ছেলে।  এদের মধ্যে সাদিয়ার সঙ্গে সেলিমের এবং নাদিয়ার সঙ্গে সুলতালের বিয়ে হয়েছে।

সেলিম ও সুলতান দুজনই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সাদিয়া ও নাদিয়া দুই বোন কলেজশিক্ষার্থী। তাদের বাবা কুদ্দুস খান ঈশ্বরদীর বউবাজারের বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী।

সরেজমিন বিয়েবাড়িতে দেখা যায়, যমজ বোনকে বিয়ে করতে বর বেশে এসেছেন যমজ ভাই। এ বিয়ে দেখতে নেমেছে মানুষের ঢল। আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও শুধু তাদের একনজর দেখতেই দলে দলে এসেছেন এলাকার মানুষ। কনের বাড়ি ঈশ্বরদীতে অনুষ্ঠিত হয় বরযাত্রী বরণ ও বিয়ে নিবন্ধনের কাজ। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় দুই কনের গায়েহলুদের আয়োজন। বিয়ের দিনগুলোকে প্রাণবন্ত করতে ওই রাতে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও।

কনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনের বাবা কুদ্দুস আলী ও মা শিল্পী খাতুনের ইচ্ছে ছিল যমজ মেয়েদের একসঙ্গে, এক অনুষ্ঠানে বিয়ে দেবেন। কিন্তু একসঙ্গে যমজ ছেলে পেয়ে যাবেন, তেমনটা তিনি ভাবেননি। এমন যমজ বর পাওয়ায় তারা অনেক খুশি।

যমজ বর বাছাইয়ের বিষয়ে কনের বাবা আব্দুল কুদ্দুস জানান, সম্প্রতি তার কাপড়ের দোকানে একজন ক্রেতা আসেন। এ সময় যমজ দুই বোনকে দেখে তার ভীষণ পছন্দ হয়। পরে ওই ক্রেতার মাধ্যমে যমজ পাত্রের সন্ধান পান তিনি। খোঁজখবর নিয়ে পাত্রের পরিবারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়। একপর্যায়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিয়ের তারিখ ঠিক হয়।

বরের বাবা সেকেন্দার আলীর বরাত দিয়ে বর পক্ষ বলছে, বিয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরপরই পরিবারের সকল সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলেন বরের বাবা। ছেলেদের মা সম্মতি দেওয়ায় তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দুই ছেলেকে জানান। পরে তাদের সম্মতি পেয়ে বিয়ে সম্পন্নের কথা কনের বাবাকে জানিয়ে দেন। এরপর উভয় পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে বিয়ের দিনক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে নির্ধারণ করা হয়। 

সর্বশেষ