• ২০২২ Jul ০৫, মঙ্গলবার, ১৪২৯ আষাঢ় ২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • বেটা ভার্সন
Logo
  • ২০২২ Jul ০৫, মঙ্গলবার, ১৪২৯ আষাঢ় ২১

বুয়েটে পড়বো না আইইউটিতে যাবো চিন্তা করছি: আবরারের ছোট ভাই

  • প্রকাশিত ১১:৩৯ অপরাহ্ন শুক্রবার, Jul ০১, ২০২২
বুয়েটে পড়বো না আইইউটিতে যাবো চিন্তা করছি: আবরারের ছোট ভাই
ছবি- সংগ্ৰহিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বুয়েটের শেরেবাংলা আবাসিক হলে নির্মম হত্যা কাণ্ডের শিকার আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাত ৯টার দিকে বুয়েটের ২০২১-২২ ব্যাচের স্নাতক ভর্তির ফল প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে ফাইয়াজের মেধাক্রম ৪৫০ তম। সুযোগ পেয়েছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হওয়ার।

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এই ক্যাম্পাসে নির্মমভাবে খুন হওয়া আবরার ফাহাদের ছোটভাই আবরার ফাইয়াজ। এর আগে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে সুযোগ পেয়েছেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে (আইউটি) পড়ারও। তবে, ফাইয়াজ এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না কোথায় পড়বেন।

বুয়েটে চান্স পাওয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ফাইয়াজ বলেন, খুব বেশি যে খুশি হয়েছি ব্যাপারটা তেমন নয়। পরিবারের সবাইও যে খুবই উচ্ছ্বসিত হয়েছে, তেমনও নয়। মানে, যতটা খুশি হওয়া উচিত ছিল, ততটা হতে পারিনি। সবারই মনের মধ্যে ভয় রয়ে গেছে। ঘোরের মধ্যে থেকে পরীক্ষাগুলো দিয়ে আসছি। অন্য কোনো কিছু ভাবিনি। অন্য কোনো ব্যাপারে চিন্তাও করিনি। এখন চিন্তাভাবনা করে দেখবো আমি সেখানে থাকতে পারবো কি না বা অন্য কোনো সমস্যা আছে কি না।

আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর ইন্টারমিডিয়েটের কলেজ পরিবর্তন করেন ফাইয়াজ। ঢাকা কলেজ ছেড়ে চলে যান নিজ জেলার কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে। বৃহস্পতিবার বুয়েটের ২০২১-২২ ব্যাচের স্নাতক ভর্তির প্রকাশিত রেজাল্টে আবরার ফাইয়াজ ৪৫০তম হয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগে চান্স পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রুমে ডেকে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে বুয়েট ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

সর্বশেষ