• ২০২২ Jul ০৫, মঙ্গলবার, ১৪২৯ আষাঢ় ২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ১:১৪ অপরাহ্ন
  • বেটা ভার্সন
Logo
  • ২০২২ Jul ০৫, মঙ্গলবার, ১৪২৯ আষাঢ় ২১

‘মন ভালো নেই’ সেই শিক্ষার্থীর ক্ষমা প্রার্থনা

  • প্রকাশিত ১১:০৮ পূর্বাহ্ন শুক্রবার, Jul ০১, ২০২২
‘মন ভালো নেই’ সেই শিক্ষার্থীর ক্ষমা প্রার্থনা
ছবি-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবশেষে ভুল বুঝতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সংলাপ ‘আজকে আমার মন ভালো নেই’ পরীক্ষার উত্তরপত্রে লিখে বেকায়দায় পড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই শিক্ষার্থী।

পরীক্ষার উত্তরপত্রে ‘স্যার, আজকে আমার মন ভালো নেই’ লেখার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কারণ দর্শানো নোটিশ দেয় ওই শিক্ষার্থীকে। তার জবাব দিতে গিয়েই তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। পাশাপাশি এও বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি মানসিক এবং পারিবারিকভাবে খুবই বিধ্বস্ত অবস্থায় আছেন।

কারণ দর্শানো নোটিশের জবাবে ওই শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, গত ১২ থেকে ১৫ মে তার প্রথম মিডটার্মের যেকোনো একটি কোর্সের পরীক্ষা শেষে বের হওয়ার সময় তিনি অতিরিক্ত উত্তরপত্রটি ক্লাসের একটি টেবিলের ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। উত্তরপত্রটি অপ্রয়োজনীয় ভেবে কোনো কিছু চিন্তা না করে বাসায় নিয়ে যান।

কোনো শিক্ষকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করেননি কিংবা জালিয়াতির কথা চিন্তা করেও স্বাক্ষর করেননি উল্লেখ করে ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘স্বাক্ষরটির সঙ্গে আমার কোনো শিক্ষকের স্বাক্ষরের মিল নেই।’

আরও বলেন, ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই (এক ঘণ্টা) আমার কাছে বিষয়টি ঠিক বলে মনে হয়নি। তাই পোস্টটি তখনই ডিলিট করে দেই। কিন্তু বিষয়টা পরে আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আসলে আমি কল্পনাতেও ভাবিনি বিষয়টা শেষ পর্যন্ত মারাত্মক আকার ধারণ করে আমার ব্যক্তিগত জীবনে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানে এভাবে প্রভাব ফেলবে।

মিডটার্ম পরীক্ষা শেষে পাওয়া অতিরিক্ত উত্তরপত্র বিভাগে জমা না দিয়ে বাসায় নিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি বলে স্বীকার করেন ওই শিক্ষার্থী বলেন। বলেন, শুধুমাত্র মজার ছলে উত্তরপত্রটিতে স্বাক্ষরসহ এসব লিখে ফেসবুকে পোস্ট করাটা তার অপরাধ হয়েছে।

গত ২৩ জুন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের এক শিক্ষার্থীর অতিরিক্ত উত্তরপত্রের প্রথম পৃষ্ঠার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। উত্তরপত্রে ওই শিক্ষার্থী লেখেন ‘স্যার আজকে আমার মন ভালো নেই’। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ছবি নিয়ে সমালোচনা ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে বলেছেন, ওই শিক্ষার্থীর বিষয়ে তদন্ত চলছে। আলোচনার মাধ্যমে তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ